ঢাকা , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬ , ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জনের মৃত্যু  প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ভাইভা নিতে আইনি বাধা নেই এবছর পদার্থে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হ্যালজেন ফ্যামিলি কার্ডে সাড়ে ২৮ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে মুক্ত হতে পারে: বিশ্বব্যাংক চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা ১৫০ বাংলাদেশিকে কাশ্মীর থেকে আটকের দাবি ভারতের ঢাকায় লটারির মাধ্যমে ১৮ সাব-রেজিস্ট্রার বদলি শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজায় মিলছে টানা ৫ দিনের ছুটি ডেঙ্গুতে ৯ জনের প্রাণহানি, হাসপাতালে ১৯০২ শিক্ষকদের মর্যাদা রাষ্ট্রের মর্যাদার সাথে জড়িত: প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর মামলায় গোলাম মহিউদ্দিনের জামিন শতাধিক গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিলেন প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় কোনো অবহেলা সহ্য করা হবে না: বিমানমন্ত্রী ইনুর ১০ বছরের সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে প্রসিকিউশনের আপিল সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এবার লালনের মাজারে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ইরান আগ্রাসনে নেমে টমাহক মিসাইলের তীব্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র

  • আপলোড সময় : ১০-০৩-২০২৬ ০৬:৪৭:২৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৩-২০২৬ ০৬:৪৭:২৪ অপরাহ্ন
ইরান আগ্রাসনে নেমে টমাহক মিসাইলের তীব্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানকে লক্ষ্য করে চালানো সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার শক্তিশালী অস্ত্র টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ দ্রুত কমে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক জ্যাক বাকবি। তাঁর মতে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা উচ্চমাত্রার বিমান হামলায় ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও বিভিন্ন কমান্ড সেন্টার ধ্বংস করতে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হয়েছে। এর ফলে মার্কিন সামরিক ভাণ্ডারে থাকা এই অস্ত্রের মজুদ উদ্বেগজনকভাবে কমে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্র-এর নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার ও সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য টমাহক ল্যান্ড অ্যাটাক মিসাইল গত কয়েক দশক ধরে পেন্টাগনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য দূরপাল্লার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রায় এক হাজার মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম এই ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের বড় সুবিধা হলো—পাইলট বা ব্যয়বহুল যুদ্ধবিমানকে ঝুঁকিতে না ফেলেই শত্রু ভূখণ্ডের গভীরে হামলা চালানো যায়। যুদ্ধের শুরুতে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ধ্বংসে এই অস্ত্রই ছিল মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর প্রধান ভরসা।

তবে বিপুল পরিমাণ ব্যবহারের বিপরীতে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের গতি তুলনামূলক ধীর হওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের ধারণা, যুদ্ধ শুরুর সময় যুক্তরাষ্ট্রের হাতে প্রায় চার হাজার টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, যার একটি বড় অংশ ইতিমধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে। অন্যদিকে সামরিক শিল্পের তথ্য অনুযায়ী, এতদিন বছরে গড়ে মাত্র প্রায় নব্বইটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হতো, যা বর্তমান চাহিদার তুলনায় খুবই কম।

একটি টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে দীর্ঘ সময় লাগে। এর ভেতরে থাকা জটিল প্রযুক্তি, বিশেষ যন্ত্রাংশ ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে পুরো উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে প্রায় দুই বছর সময় লাগে। এই কারণে হঠাৎ করে উৎপাদন বাড়ানোও সহজ নয়। যদিও ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আরটিএক্স উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে এবং বছরে প্রায় এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করছে, তবুও এই লক্ষ্য অর্জনে সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রতিটি টমাহক ব্লক ফাইভ সংস্করণের ক্ষেপণাস্ত্রের দাম প্রায় তেরো লাখ মার্কিন ডলার। ফলে বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কারণে পেন্টাগনের বাজেটেও চাপ তৈরি হচ্ছে। মার্কিন নৌবাহিনী আশির দশক থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় নয় হাজার টমাহক সংগ্রহ করেছে, তবে এর বড় অংশ বিভিন্ন যুদ্ধ ও সামরিক মহড়ায় ইতিমধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে।

এদিকে ওহাইও-ক্লাস সাবমেরিন একবারে প্রায় ১৫৪টি টমাহক বহন করতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্রভিত্তিক আক্রমণক্ষমতাকে অনেক বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্রের সরবরাহ কমে গেলে এই শক্তিশালী যুদ্ধযানগুলোর কার্যকারিতাও কমে যেতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত উৎপাদন বাড়ানো না গেলে আগামী কয়েক বছর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতায় একটি বড় ঘাটতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কমেন্ট বক্স
সরকারি চাকরির নিয়োগে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হচ্ছে না: ডেপুটি স্পিকার

সরকারি চাকরির নিয়োগে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হচ্ছে না: ডেপুটি স্পিকার